--Advertisement --
রাজনীতিসারাদেশে

মামুনুল হকের ধর্ষণ মামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য গ্রহণ

স্টাফ রির্পোটার: হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের নামে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় করা ধর্ষণ মামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে এই সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মামুনুল হককে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে মামুনুল হককে কাশিমপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়েছিল। যে দুজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সোনারগাঁও থানার উপ পরিদর্শক কোবায়ের হোসেন, বোরহান।

গত বছরের ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে একটি কক্ষে কথিত স্ত্রীসহ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও মাদ্রাসার ছাত্ররা রিসোর্টে হামলা চালিয়ে তাঁদের ছিনিয়ে নেন। ওই ঘটনার ১৫ দিন পর ১৮ এপ্রিল মামুনুল হককে মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে ঢাকা মহানগর তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ গ্রেপ্তার করে। ঘটনার ২৭ দিন পর ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় হাজির হয়ে তাঁর কথিত স্ত্রী বাদী হয়ে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। একই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়ে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। একই বছরের ৩ নভেম্বর মামুনুল হকের নামে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আরও দুজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মামুনুল হকের আইনজীবী এখন পর্যন্ত বিয়ের বিষয়টি প্রমাণ করতে পারেনি। এ নিয়ে মামলার বাদী, তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৪৩ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। সকলের স্বাক্ষী মামুনুল হকের বিরুদ্ধে রয়েছে।

আরও পড়ুন >   জেএমবির পলাতক আসামি ৭ বছর পর গ্রেফতার

আসামিপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন বলেন, সাক্ষীরা আদালতে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন, তার মিল পাওয়া যায়নি।

মামুনুল হকের ধর্ষণ মামলায় ২ পুলিশ কর্মকর্তা সাক্ষ্য গ্রহণ
সাপ্তাহিক আড়াইহাজার

আরও দেখুন

সম্পৃক্ত

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

Back to top button